বন্দরে পি বি এম ইটভাটায় ৩শ্রমিককে বেঁধে নির্যাতন;৯৯৯ এ উদ্ধার আটক ১

Uncategorized অর্থনীতি প্রচ্ছদ সোনার বাংলা

এন এম সুজন

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে মুছাপুর ইউপির ফনকুল এলাকায় পিবিএম নামের এক ইটভাটায় ৩শ্রমিককে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতন ও জোরপূর্বক কাজ আদায়ের অভিযোগে ইটভাটার ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে বন্দর থানা পুলিশ। গত ২২ফেব্রুয়ারি ঐ শ্রমিকরা জাতীয় সেবা ৯৯৯ এ কল করলে বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ দ্রুত পদক্ষেপ নেয় । বন্দর থানা পুলিশের একটি ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঐ ৩শ্রমিককে শেকল বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে। নির্যাতিত ঐ ৩ শ্রমিকরা হলেন, সুদুর সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার শহিদুল ইসলামের ছেলে মাজহারুল ইসলাম(২৩),একই এলাকার আরসাদ আলীর ছেলে রুহুল আমিন (৩০) ও মৃত মোমরেজ মিয়ার ছেলে আবু বকর (৪০)। এব্যাপারে বন্দর থানায় ঐ ইটভাটার ৪ মালিক ও ম্যানেজারসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়ছে। আসামীরা হলেন, মালিক বন্দরের দাসেরগাঁও এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে মামুন হোসেন(৩০),ফনকুল এলাকার মোঃ হোসেনের ছেলে আনিসুর রহমান(৩০),মৃত তাহের আলীর ছেলে মোসলেম উদ্দিন(২৮), হাকিম আলীর ছেলে মোঃ রাজন (৩৫), ম্যানেজার জসিম উদ্দিন ও মতিউর রহমান।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা জানায়, আমরা বেশ কিছুদিন যাবৎ এই ইটভাটার কাজ করে আসছি। কিন্তু আমাদের মজুরি বাবদ আমরা মালিক পক্ষের কাছে ৪৫হাজার টাকা পাওনা রয়েছি। কিন্তু কোনভাবেই আমাদের পাওনা বুঝে না পাওয়ায় এ কাজ ছেড়ে দিতে চাই৷ পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারী মালিকদের নির্দেশে ম্যানেজার আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে রাতে আমাদের একটি বদ্ধ ঘরে আমাদের আটকে রেখে দিনে জোর করে কাজ আদায় করায়। পরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে আমিরা জাতীয় সেবা ৯৯৯ এ কল করলে পুলিশ দ্রুত এসে আমাদের উদ্ধার করে।
এব্যাপারে বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ৯৯৯ এ কল পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। পরে সেখান থেকে একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।এ নিয়ে বন্দরে একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *