বন্দরে ইটভাটার মাটির জন্য কাটা হচ্ছে ৩ ফসলী জমি, বাধা দিলে মিলছে প্রাণনাশের হুমকী নীরব ভূমিকায় প্রশাসন

Uncategorized অর্থনীতি আন্তর্জাতিক রাজনীতি শিক্ষা

এন এম সুজনঃ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চলছে প্রভাবশালিদের মাটিকাটার মহাউৎসব,বাধা দিলে মিলছে প্রাণনাশের হুমকি, নীরব ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন যেনো দেখার কেউ নাই।
৩ মে সোমবার সকাল ৮.৩০মিনিটে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ধামগড় ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কাজিপাড়া গ্রামের বিলে প্রায় ৯৫% জমি কেটে দিগি বানিয়েছে মাটিকাটার উৎসবে মাতোয়ারা একটি প্রভাবশালী মহল ।


এসয় সাংবাদিকদের দেখে একজন ভুক্তভোগী বলেন আমাদের এই বিলে তাড়া যতদিন থেকে ইটের ভাটা তৈরী করেছে ,তার পর থেকে বিলের মাটি জোরপূর্বক কাটা শুরু করেছে।
মাটিকাটার সময় বাধাদিলে বিভিন্ন ভাবে জমির মালিকদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে ইট ভাটার মালিক এবং কারো কারো মাটি কেটে পুকুর বানানোর পর জমির মালিকদের জমি বিক্রি করতে বাধ্য করছে। এসময় জানাযায় এই এলাকার মৃত মাহারউদ্দিনের ছেলে মো.আহসানউল্লাহ জমির মাটি কাটার পর সে মামলা করার কথা বল্লে একই এলাকার লোকজন ধরে তাকে মামলা না করার জন্য বলা হয় ও তার জমি কৌশলে’ ক্রয় করে নেয়। এছারাও গত কয়েকদিন পূর্বে এক রাতে ৪টি জমি ধসে পড়ে প্রভাবশালীদের খননকৃত পুকুুরে।

একই গ্রামের মৃত আওয়ালের ছেলে মসজিদের খাদেম মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায় তার ২১ শতাংশ জমি মধে ৮ শতাংশ জমির মাটি ইটব্যবসায়ীর কুপে ধসে পড়ে, সে সময় মামা ভাগিনা ইটভাটার মালিক আলমগীরের লোকজন সাংবাদিকদের বলে হুজুরের মাথা নষ্ট, সে পাগল, তার কথা আপনারা মাথায় নিয়েন না।
এসময় তারা আরো বলেন আমরা এখানে মাটি কাটি এটা প্রশাসনসহ সকল দপ্তরকে ম্যানেজ করেই কাটি আপনারা পত্রিকায় লিখে যা পারেন করেন।

এব্যপারে মামা ভাগিনা ইটভাটার মালিক আলমগীরের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে সে সাংবাদিকদের বলেন আমি তার জমির মাটি পূনরায় ভরাট করে দিয়েছে যদি সে সন্তুষ্ট না হয় তাহলে আবার ঠিক করে দিবো।

অন্যদিকে ৭০৭ ইটভাটার মালিক পলাশ গতপরশু রবিবার মামা ভাগিনা ইটভাটার মালিক আলমগীরের লোকজনের সাথে মাটি কাটা নিয়ে বিলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাঘটিয়েছেন।
তার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার ব্যবহিত মোবাইল ফোনটি বন্ধকরে দেন।
হাতাহতির ঘটনার সংবাদ পেয়ে সাংবাদিক ও কামতাল তদন্ত্যকেন্দ্রের ইনচার্জ মো.সুজন হক, তার সংগীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থানে পৈছায় সেসময় মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত ২টি বেকুগাড়ির চাবি নিয়ে কাজ বন্ধকরে দেয়।
এ ব্যপারে ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মাসুম আহম্মেদের সাথে সাংবাদিকরা যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কাটার অধিকার কারও নেই এ ব্যাপারে আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি, প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের সহযোগীতায় তাদেরকে আইনের আওয়াতায় এনে শাস্তির দাবিযানাচ্ছি ,আমি সর্বদাই জনগণের স্বার্থে জনগণের সাথে আছি এবং থাকবো ।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে বন্দর উপজেলা প্রশাসন ( ইউ এন ও) শুক্লা সরকারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমাদের কাছে কোন ভুক্তবোগী অভিযোগ দেয়নি ,আমি ২মে মাটিকার ঐখানে পুলিশ পাঠিয়েছি ও মাটি কাটা বন্ধ রেখেছি, তারা পূনরায় আবার মাটি কাটা সুরুকরেছে বলে আমি জানন্তে পাই , কিন্তু এব্যপারে আমার কাছে কোন ভুক্তভোগী অভিযোগ নাকরার কারনে আমি হস্তখেপ নিতে পারছিনা। তার পরও আমি নিজের থেকে তাদের কাজ বর্তমানে বন্ধ করে দিয়েছি। কেউ যদি অভিযোগ করে আমার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে যত সহযোগীতা দরকার আমি তাকে করবো এবং তার নাম গোপন রাখবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *