আড়াইহাজারে কালাপাহাড়িয়ায় মধ্যারচরঘাটে যাত্রী ছাউনি ব্যবহারের অযোগ্য……

Uncategorized অর্থনীতি আন্তর্জাতিক প্রচ্ছদ সোনার বাংলা

মো: মামুন আহমেদ জয় :- নারায়ণগঞ্জ আড়াইহাজারে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের মূল প্রবেশ পথে মধ্যারচর ঘাটের রাস্তায় একটি যাত্রী ছাউনি অযত্ন-অবহেলায় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

যাত্রী বা পথচারীদের জন্য তৈরি করা ছাউনিগুলো দখল ও ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে আছে।
দীর্ঘদিন সংস্কার না করা ও অযত্ন-অবহেলায় যাত্রী ছাউনির কিছু স্থানে ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
এতে নৌকার এবং গাড়ীর জন্য অপেক্ষমান যাত্রী ও পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

কালাপাহাড়িয়া মধ্যারচর ঘাট এলাকার ভিবিন্ন দিক দিয়ে আশা অপেক্ষমাণ যাত্রীদের রোদ বৃষ্টি ঝড় থেকে বাঁচার একমাত্র আশ্রয়স্থল এবং বসে বিশ্রাম নেয়ার জন্য তৈরি করা হয় যাত্রী ছাউনি।

অথচ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে যাত্রী ছাউনি।
যাত্রী ছাউনির বসার বেঞ্চ ভাঙা, পলেস্তারা খসে পড়ছে। ময়লা জমে জমে কালচে রং ধারণ করেছে। অবৈধ দখল, মাদকসেবী, কিশোর গ্যাং ও হকারদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে এ যাত্রী ছাউনি।

নাগরিকদের সুবিধার পরিবর্তে এ যাত্রী ছাউনির কারণে মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। জানা যায়,দুইহাজার আট সালের দিকে নির্মিত এ যাত্রী এলাকার উন্নয়ন হলেও ছাউনিগুলোতে তেমন একটা উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

যাত্রী ছাউনির একটি পশ্চিম পাশে দিয়ে চরলক্ষীপুর যাওয়ার পথ সামনে পৃর্বকান্দী ঝাউকান্দী বলা চলে কেন্দ্রহল ছাউনিটির একাংশে রয়েছে দোকান।

এছাড়াও ছাউনির পাশে রয়েছে ভাসমান চা-সিগারেটের দোকান। বসার জন্য সিমেন্টের তৈরি বেঞ্চ রয়েছে। তবে, বেঞ্চে একাংশ ভেঙে আছে। ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। পোস্টারেও ছেয়ে গেছে পুরো ছাউনি। আবর্জনায় ভরপুর হওয়ায় সবসময় মশার উপদ্রব থাকে।

মো:মহিউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের অর্থ দিয়ে, আমাদের জন্য তৈরি করা ছাউনি কেন ব্যবহারের অযোগ্য থাকবে? বসার জন্য ছোট একটি বেঞ্চ রয়েছে, সেটিও ভাঙা। আবর্জনার গন্ধে থাকা যায় না। একটু বিশ্রাম নিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে যেতে হয়।

এমদাদুল হক বলেন, যাত্রী ছাউনিতে শুধু গাড়ীর জন্য যাত্রীরা অপেক্ষা করে না।
অনেক দূর থেকে আসা পথচারীরাও বসে বিশ্রাম নেয়। বিশেষ করে, রোদ বৃষ্টি থেকে আশ্রয় নিতে যাত্রী ছাউনির প্রয়োজন অনেক বেশি। তবে, এ ছাউনির বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে।

আরেক পথচারী আবদুল্লা আল হৃদয় বলেন, যাত্রী ছাউনিগুলোর যে অবস্থা এতে ছেলেদেরই বসার পরিবেশ নেই। মেয়েরা কিভাবে বসবে। সরকারের উচিত এসব ছোট বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা।

এই বিষয়ে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন আমি ২বছর আগে একবার মেরামত করেছিলাম ওয়াসরুমের দরজা লাগিয়েছি কিন্তুু তার কিছুদিন পরে কিছু অশাধু ব্যক্তি পরিবেশ নষ্টকরে দরজা চুরি করে বিক্রি করে দিয়েছে।
তবে নতুন করে দূরুত যাত্রী ছাউনি সংস্কার করা হবে।

কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের যাত্রী ছাউনি অবস্তানরত ৩নং ওয়ার্ডের মো: লিটন মেম্বার বলেন।
দুই হাজার আট সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পরে তৈরিকরণ করার হয় যাত্রী ছাউনি।
পরে আর কোন মেরামত করা হয় নাই তবে সংস্কার করা খুব জরুলী প্রয়জন।

একে,এম,ফাইজুল হক ডালিম,জানান,
কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের মূল প্রবেশ পথে মধ্যারচর ঘাটের রাস্তায় একটি যাত্রী ছাউনি শিগগির সংস্কার করার আহ্বান ও ছাউনিগুলোতে বনায়ন ও ডিজিটালাইজ করা ।

এছাড়াও যেসব যাত্রী ছাউনি মেয়াদ শেষ। সেসব যাত্রী ছাউনি ভেঙে নতুনভাবে নির্মাণ করলে বেশি ভালো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *